সিফফিনে তার সাথে যা ঘটেছিল তা বর্ণনা করে বিভিন্ন
এলাকার লোকদের কাছে লেখেছিলেন।
সমগ্ৰ বিষয়টি এই যে, আমরা সিরিয়ানদের সঙ্গে একটা যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলাম। যদিও আমরা উভয় পক্ষ একই আল্লাহ ও রাসুলে বিশ্বাসী এবং ইসলামে আমাদের বাণী একই। আমরা চেয়েছিলাম আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসে এবং রাসুলের প্রতি স্বীকৃতিতে তারা যেন কোন বেদা’ত না করে এবং তারাও চেয়েছিল আমরা যেন এমনটি না করি। বস্তৃত উভয় পক্ষেরই এসব বিষয়ে ঐকমত্য ছিল। কিন্তু উসমানের রক্তপাতের সাথে আমাদের কোন সংশ্ৰব ছিল না। আমরা তাদের উপদেশ দিয়েছিলাম তারা যেন অস্থায়ী গোলযোগ বন্ধ করে অবস্থা শান্ত রাখে এবং সব কিছু ঠিকঠাক ও স্থিতিস্থাপক হওয়া পর্যন্ত জনগণকে শান্ত রাখে। আমরা যখন শক্তি সঞ্চার করবো। তখন সঠিক ব্যবস্থা নেব।
তারা আমাদের আহবানে সাড়া না দিয়ে যুদ্ধের মাধ্যমে ফয়সালা করার জন্য উঠে পড়ে লেগে গেল। ফলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লো এবং এর শিখা প্ৰজ্বলিত হলো। যখন যুদ্ধ-নখর তাদের ও আমাদের উভয়কে বিদ্ধ করে পীড়া দিল তখন আমরা পূর্বে তাদের যা বলেছিলাম তা তারা প্রস্তাব করলো। সুতরাং আমরা তাদের প্রস্তাবে রাজি হলাম; এভাবে তাদের কাছে ওজর সুস্পষ্ট হয়ে গেল। এখন তাদের মধ্যে যে এটা মেনে চলবে। আল্লাহ তাকে ধ্বংস হতে রক্ষা করবেন এবং আল্লাহ যার হৃদয়কে কালিমা লিপ্ত করেছেন সে এটা পাল্টে এর প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করবে এবং সে মাথা পর্যন্ত পাপে ডুবে যাবে।









