শেখ সাদুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ বিন সিনান বলেন, ইমাম জাফর আস-সাদিক (আঃ) বলেছেন যে, “এ সময়ের পর এমন এক সময় আসবে যখন সংশয় দানা বাঁধবে এবং তোমাদের হেদায়াতকারী ইমাম গায়েবে থাকবেন। তখন কেউ মুক্তি পাবে না, কেবল তারা ছাড়া যারা ‘দোয়া গারিক্ব’ পড়বে।” বর্ণনাকারী দোয়াটি পুনরায় বলার সময় ‘মুকালি¬বাল ক্বুলুব’-এর পর ‘ওয়াল আবসার’ (দৃষ্টিভঙ্গি) যুক্ত করলে ইমাম (আঃ) বলেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আল্লাহ হৃদয় ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনকারী, কিন্তু আমি তোমাকে যেভাবে বলেছি তুমি সেভাবেই দোয়াটি পড়বে। (কামালুদ্দিন, খণ্ড-২, পৃঃ ৩৫১)
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
يَا اَللَّهُ يَا رَحْمٰنُ يَا رَحِيمُ يَا مُقَلِّبَ ٱلْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَىٰ دِينِكَ
শেখ সাদুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ বিন সিনান বলেন, ইমাম জাফর আস-সাদিক (আঃ) বলেছেন যে, “এ সময়ের পর এমন এক সময় আসবে যখন সংশয় দানা বাঁধবে এবং তোমাদের হেদায়াতকারী ইমাম গায়েবে থাকবেন। তখন কেউ মুক্তি পাবে না, কেবল তারা ছাড়া যারা ‘দোয়া গারিক্ব’ পড়বে।” বর্ণনাকারী দোয়াটি পুনরায় বলার সময় ‘মুকালি¬বাল ক্বুলুব’-এর পর ‘ওয়াল আবসার’ (দৃষ্টিভঙ্গি) যুক্ত করলে ইমাম (আঃ) বলেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আল্লাহ হৃদয় ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনকারী, কিন্তু আমি তোমাকে যেভাবে বলেছি তুমি সেভাবেই দোয়াটি পড়বে। (কামালুদ্দিন, খণ্ড-২, পৃঃ ৩৫১)
বিসমিললাহির রাহমানির রাহিম
ইয়া আল্লাহু, ইয়া রাহমানু, ইয়া রাহিমু, ইয়া মুকাল্লেবাল কুলুব সাব্বেত ক্বালবি আলা-ইয়া দ্বীনেকা।
শেখ সাদুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ বিন সিনান বলেন, ইমাম জাফর আস-সাদিক (আঃ) বলেছেন যে, “এ সময়ের পর এমন এক সময় আসবে যখন সংশয় দানা বাঁধবে এবং তোমাদের হেদায়াতকারী ইমাম গায়েবে থাকবেন। তখন কেউ মুক্তি পাবে না, কেবল তারা ছাড়া যারা ‘দোয়া গারিক্ব’ পড়বে।” বর্ণনাকারী দোয়াটি পুনরায় বলার সময় ‘মুকালি¬বাল ক্বুলুব’-এর পর ‘ওয়াল আবসার’ (দৃষ্টিভঙ্গি) যুক্ত করলে ইমাম (আঃ) বলেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আল্লাহ হৃদয় ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনকারী, কিন্তু আমি তোমাকে যেভাবে বলেছি তুমি সেভাবেই দোয়াটি পড়বে। (কামালুদ্দিন, খণ্ড-২, পৃঃ ৩৫১)
বিসমিললাহির রাহমানির রাহিম
হে আল্লাহ, হে দয়াময়, হে করুণাময়, হে অন্তরসমূহের উল্টোকারী, আমার হৃদয়কে আপনার দীনের ওপর দৃঢ় করে দিন।









