উম্মাহর বিভেদ ও দলাদলি সম্পর্কে নিশ্চয়ই, আল্লাহ এ পৃথিবীতে কোন স্বেচ্ছাচারীর ঘাড় মটকান নি যে পর্যন্ত না তাকে শোধরানোর সময় ও সুযোগ দিয়েছেন এবং কোন উন্মাহর ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগান নি যে পর্যন্ত না তিনি তাদের ওপর দুর্যোগ ও দুঃখ-দূরদর্শা আরোপ করেছেন। যে ভোগান্তি ও দুর্ভাগ্য তোমাদের জীবনে ঘটেছে তা তোমাদের শিক্ষার জন্য যথেষ্ট । কিন্তু প্রত্যেক মানুষ হৃদয় থাকা সত্ত্বেও বুদ্ধিমান নয়, প্রত্যেক কানের শ্রুতিশক্তি নেই এবং প্রত্যেক চোখ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন নয়। হায়! আফসোস, এসব দলের ভুল ভ্রান্তি দেখে আমার আশ্চর্য না হবার কোন কারণ নেই, কারণ তারা তাদের দ্বিনে পরিবর্তন এনেছে, তারা তাদের নবির পদাঙ্ক অনুসরণ করে না এবং নবির প্রতিনিধির আমল অনুসরণ করে না। তারা গায়েবের প্রতি ইমান আনে না এবং আয়েব (দোষ) থেকে নিজেদেরকে সারিয়ে রাখে না। তারা সংশয়ের মধ্যে কাজ করে এবং কামনা-বাসনার পথে পরিচালিত হয়। শুভ হলো সেটা যেটাকে তারা ভাল মনে করে এবং মন্দ হলো সেটা যেটাকে তারা মন্দ মনে করে । তারা মনে করে দুৰ্দশার সমাধান তাদের নিজেদের হাতে। তারা বিশ্বাস করে যে, সন্দেহজনক বিষয়সমূহ তাদের মতানুযায়ী নিষ্পত্তি হবে। মনে হয় তাদের প্রত্যেকেই যেন ইমাম। যে কোন বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নেয় তারা মনে করে বিশ্বস্ত বরাত-সূত্র ও মজবুত উৎস থেকে তারা তা পেয়েছে।