নিশ্চয়ই, আল্লাহ্ মুহাম্মদকে (সঃ) নবি হিসাবে প্রেরণ করেছিলেন যখন আরবদের কেউ কিতাব পড়তে জানতো না এবং কেউ নবুয়ত বা আহি দাবি করে নি। যারা তাকে অনুসরণ করেছিল তাদেরকে সাথে নিয়ে তিনি সেসব লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন যারা তাকে অমান্য করেছিলো। তিনি তাদেরকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন এবং তিনি এতে তাড়াহুড়া করেছিলেন পাছে মৃত্যু তাদেরকে পরাভূত করে। নিকৃষ্টতম লোক (যার ভেতরে কোন সদগুণের লেশমাত্র নেই) ব্যতীত যখনই কোন ক্লান্ত মানুষ হাই তুলছিলো অথবা বিপদগ্রস্থ হচ্ছিলো তিনি তার পাশে দাঁড়িয়েছেন যে পর্যন্ত না সে তার লক্ষ্য অর্জন করেছে। অবশেষে তিনি তাদেরকে তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য দেখিয়ে দিলেন এবং মুক্তির স্থানে নিয়ে গেলেন। ফলত তাদের কর্মকান্ডের অবস্থান পরিবর্তিত হলো, তাদের হস্তচালিত কল ঘুরতে লাগলো এবং তাদের বর্শা সোজা হয়ে গেল (অর্থাৎ তারা সরল ও সৎ অবস্থা লাভ করলো)।
আল্লাহর কসম, আমি তাদের পিছনে প্রহরীর মতো ছিলাম, যে পর্যন্ত না তারা পাশ ফিরেছিলো এবং তাদের রশিতে জমায়েত হয়েছিলো (অর্থাৎ ইমানের পথে ফিরে এসেছিলো)। আমি কখনো দুর্বলতা প্রদর্শন করি নি বা সাহস হারাই নি। আমি কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করি নি বা নিস্তেজ হই নি। আল্লাহর কসম, আমি অন্যায়কে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলবো এবং এর পাজর থেকে ন্যায় বের করে আনবো।