পবিত্র পিতা এবং পবিত্র কন্যার মধ্যকার কিছু কথা

পবিত্র পিতা এবং পবিত্র কন্যার মধ্যকার কিছু কথা —

পবিত্র কন্যা – হে পিতা !
তখন আপনি থাকবেন না ,
তখন ওর পিতা ইমাম আলী থাকবেন না ,
তখন ওর ভাই ইমাম হাসান থাকবে না ,
আমিও তখন থাকব না !

পবিত্র পিতা – হে কন্যা !
কারবালা ঘটনার সময় আমরা কেউ থাকব না ।

পবিত্র কন্যা – হে পিতা !
আমরা তখন কেউই থাকব না । আমার আদরের দুলাল হোসেনের জন্য কারবালাতে কান্নার জন্য কেউই কি থাকবে না ?

পবিত্র পিতা – হে কন্যা !
শান্ত হও এবং ধৈর্য ধারন কর । আল্লাহ আমায় কথা দিয়েছেন যে , কারবালা প্রান্তরে আমার নয়নের মনি হোসেনের নির্মম হত্যাযজ্ঞের স্মরনে রোজ কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ এমন একটি জাতি সৃষ্টি করেবেন যে , বংশ পরম্পরায় এরাই তোমার এবং আমার কলিজার টুকরা হোসেনের জন্য শোক , মাতম , ক্রন্দন , আযাদারী করবে ———————- ।

পাঠক ,
এখন অনেকেই এই লেখাটির জন্য তথ্য দলীল , হাদিসের রেফারেন্স দাবী করবেন ।
যারা তথ্য চাইবেন তাদের জ্ঞাতার্থে এটুকুই বলা যথেষ্ট যে , কিছু কিছু ঘটনার জন্য তথ্যসূত্র , দলীল হাদিস ইত্যাদি প্রয়োজন হয় না ।
যেমন প্রতিদিন সূর্য উদিত হয় । এটার জন্য কোন দলীল তথ্য হাদিস লাগে না ।

দেখার মত চোখ ,
শোনার মত কান ,
সত্য ধারনের জন্য পবিত্র অন্তর থাকলে —
সর্বোপরি হালালী সন্তান হলে ——

চোখ কান অন্তর দিয়ে চারপাশে দেখুন —
১৫০০ বছর ধরে মহরম মাস এলে বংশ পরম্পরায় কোন মাযহাবের মুমিনগন চোখের জল ফেলে চীৎকার করে বুক থাপড়িয়ে —–
“হায় হোসেন — হায় হোসেন” বলে শোক মাতম আযাদারী করে আসছে ।

অতএব ,
হে হোসেনের (আঃ) আযাদারগন !
কান খুলে এই কথাটি শুনে নাও —
ইচ্ছে করলেই যে কেউ হোসেনের (আঃ) আযাদার হতে পারবেই না ।
তুমি এজন্যই শোক মাতম আযদারী করতে পারছ —
কারন তুমিই আল্লাহ কতৃক সৃষ্ট ঐ জাতির অন্তর্ভুক্ত হয়েছ ।

লাব্বাইক ইয়া মজলুমা (আঃ) ,
লাব্বাইক ইয়া হোসেন (আঃ) ।

skl