যে মুসলমান অপর মুসলমাকে কাফির বলে সে নিজেই পাক্কা কাফির

যারা মুসলমানদেরকে কাফির বলে তারা নিজেরাই পাক্কা কাফির ।

নূর বার্তা সংস্থা –
বার ইমামীয়া শীয়া এবং আহলে সুন্নতের নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থসমূহে বর্ণিত হয়েছে ,
রাসূল (সাঃ) বলেছেন ,
من کفّر مسلماً فلیس بالمسلم؛
যারা মুসলমানদেরকে কাফির বলে তারা নিজেরাই কাফির ।

তাকফিরি গোষ্ঠী খুবই ভয়ানক একটি দল যাদেরকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে ফেৎনা সৃষ্টিকারী দল হিসাবে তিরস্কার করা হয়েছে ।

কেননা ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম আর ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মাাদ (সাঃ) হচ্ছেন গোটা মানবজাতীর জন্য রহমতস্বরূপ ।
«وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ»؛

মহনাবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মক্কা বিজয়ের দিনকে “الیوم، یوم المرحمه” রহমতের দিন হিসাবে উল্লেখ করেছেন ।
কিন্ত অপরদিকে তাকফিরিদের প্রধান নেতা আবু সুফিয়ান এই দিনকে الیوم، یوم الملحمة؛ প্রতিশোধের দিন হিসাবে উল্লেখ করেছিল ।

ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান ছিল ।

একটি দল ছিল রাসূল (সাঃ) এর রহমতের দৃষ্ঠিভঙ্গির সমর্থক আর অপরটি ছিল আবু সুফিয়ান তথা বনি উমাইয়্যা ও খারিজিদের দৃষ্ঠিভঙ্গি যারা আমিরুল মু’মিনিন হযরত আলী (আঃ) কে কাফের বলত ।

এমনকি দয়ালু নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কাফিরদের ও মুশরিকদের সাথেও স্বদয় আচরণ করতেন ।
তিনি কাফেরদেরকে উত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক দ্বীন ইসলামের দাওয়াত দিতেন ।
কিন্ত তারা যখন অস্বীকার করে রাসূলের (সাঃ) সাথে অযৌক্তিক যুদ্ধে লিপ্ত হত কেবলমাত্র তখনই তিনি প্রতিরক্ষা মূলক যুদ্ধ করতেন ।

চ্যালেজ্ঞ সহকারে বলা যায় যে , রহমতের নবী (সাঃ) কখনই আগে যুদ্ধ শুরু করতেন না ।
ওনার জীবনে প্রতিটা যুদ্বই ছিল ওনার উপর চাপিয়ে দেয়া ।

একজন প্রকৃত মুসলমান কখনই অপর একজন মুসলমান ভাইকে কাফির বলতেই পারেন না ।
এই জঘন্য অপকর্মটি কেবলমাত্র তাদের পক্ষেই সম্ভব যারা গাদীর এ খুম পরিত্যাগকারী তথাকথিত মুসলমান ।

SKL