ওয়াহাবি প্রশ্ন ও শীয়া জবাব

বছরের শেষে যিল্হিজ্জাহ একটি বরকতময় মাস। এ মাসের ফজিলত গণনা করে শেষ করা যাবে না। পুণ্যবান ও নেক সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈনরা এ মাসে ইবাদতের বিশেষ প্রস্তুতি ও উদ্যোগ নিতেন। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) হতে রেওয়ায়েত আছে যে, এ মাসের প্রথম দশ দিনের নেকি ও ইবাদতের মত বছরের অন্য কোন সময়ে কৃত কোন কাজই খোদার নিকট এতটা পছন্দনীয় নয়। (১)

               তাছাড়া বিভিন্ন রকম ঐতিহাসিক খুশি ও দুঃখের ঘটনাতে সমৃদ্ধ এ মাসটি। তার মধ্যে কিছু ঘটনাতো ইসলামের ইতিহাসের পাতাকে রোজ কেয়ামত পর্যন্ত আলোকিত করে রাখবে। উল্লেখ করার মত কিছু ঘটনা যেমনঃ হযরত আলী(আলাইহিস্‌ সালাম) ও হযরত মা ফাতেমার(সালাওয়াতুল্লাহ্ আলাইহা) আক্বদ ও শাদী মোবারক, সুরা বারাআতের তবলিগ, ৫ম ইমাম হযরত মোহাম্মদ বাক্বেরের(আলাইহিস্ সালাম) শাহাদাত দীবস, মক্কাতে হযরত ইমাম হোসাইনকে(আলাইহিস্ সালাম) কতল করার চেষ্টা, মক্কা হতে ইরাকের উদ্দেশ্যে ইমাম হোসাইনের(আলাইহিস্ সালাম) যাত্রা, কুফা শহরে ইমাম হোসাইনের(আলাইহিস্ সালাম) দূত হযরত মুসলিম ইবনে আক্বিলের শাহাদাত, আরাফা ও কোরবানী দীবস, চন্দ্র দুটুকরো হয়ে যাওয়া, ১০ম ইমাম হযরত আলী নকীর(আলাইহিস্ সালাম) জন্ম বার্ষিকি, ঐতিহাসিক গাদীর দীবস, মোবাহেলা দীবস ইত্যাদি। (২)

উপরল্লিখিত ঘটনার সাথে মুসলমানদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু এ মাসে আরও একটি বিশেষ ঘটনা রয়েছে যা সমস্ত মুসলিম বিশ্বে গ্রহনযোগ্য আর তা হল পবিত্র হজ্জব্রত। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান ধনী-গরিব, উঁচু-নীচু, ধলা-কালো, রাজা-প্রজা সব ভুলে গিয়ে একই কাপড়ে পবিত্র হজ্জব্রত পালন করতে মক্কা নগরীতে সমবেত হন। মাযহাব-ফিরকা নির্বিশেষে সমস্ত মুসলমান এক আল্লাহ্ ও তার রাসুলকে(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) স্বরণ করে লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বণীতে মক্কা-মদীনার বাতাস কাঁপিয়ে তোলেন। উদ্দেশ্য একটাই আর তা হল আল্লাহ্ ও তাঁর রাসুলের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) নৈকট্ট হাসিল ও সান্নিধ্যলাভ করা। আজকের মুমিনগণ যারা রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম), সাহাবায়ে কেরাম কিন্বা তাবেঈনদেরকে উপলদ্ধি করতে পারেননি, মনের অনেক আশা-আকাঙ্খা, ইচ্ছা, কামনা-বাসনা বা আরজি-আবেদন ও মানত নিয়ে মদীনাতে নবী করিমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) রাওযা মোবারকে হাজিরা দেন। কেউ কেউ মসজিদে নববীতে ৪০ ওয়াক্তের নামাজ আদায় করেন, আবার কেউবা দোওয়া, কোরান বা যিয়ারত-সালাম পড়ে সওয়াব হাসিল করতে চান। কিন্তু এসব ইবাদত করতে গিয়ে ওয়াহাবি পুলিশ ও মুবাল্লিগদের হারাম ফোতোয়া, ধাক্কা, ধিক্কার ও বিভিন্ন প্রকার নির্যাতনের শিকার হন। সহজ সরল মুমিনরা; যাদের দ্বীন-মাযহাবের প্রতি বিশেষ জ্ঞান না থাকার কারণে চুপচাপ সব সহ্য করে চলে আসতে হয়। কিন্তু সেখানে সম্ভাব্য যেসব প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয় যদি তার উপযুক্ত জবাব জানা থাকে; তাহলে ওয়াহাবিদের দুষ্ট চক্রান্ত থেকে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যেতে পারে। এরকম কিছু ঘটনা যা অতীতে ঘটেছে এবং কিছু মুমিনভাই তাদের উপযুক্ত জবাব দিতে সক্ষম হয়েছেন এখানে তুলে ধরছি। যা থেকে আমরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়ে ওয়াহাবিদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে পারি।

ওলামা সমাজের একজন হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন জনাব কান্নাদি তার মক্কা সফরের একটি ঘটনা ও ওয়াহাবিদের সাথে তর্কের অভিজ্ঞতাকে এভাবে বর্ণনা করেনঃ

হজ্ব ও উমরা এবং মদিনা মুনাউওয়ারার যিয়ারতের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের একটি দল ইরান থেকে মক্কা-মদিনার সফরের সম্মান অর্জন করেছিল। যখনই শিক্ষার্থীদের দলটি মদীনাতে বাক্বী কবরস্থানে প্রবেশ করে, ওয়াহাবিদের (সরকারি) মুবাল্লিগরা হিংস্র নেকড়ে বাঘের ন্যায় -যেন শিকার করার উদ্দেশ্যে এসেছে- শিক্ষার্থীদের ঘিরে বসে এবং নিজের অপরিপক্ব ধারণায় কিছু সন্দেহ মূলক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে, শিয়া মায্হাবের পবিত্র মূল আক্বিদা বিশ্বাসকে নির্মুল করতে চেয়েছিল এবং তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছিল যাতে শিক্ষার্থীদের দলটিকে বাতিল ওয়াহাবি মতাদর্শের প্রতি -যা হতে শিয়া ও সুন্নি দুদলই অসন্তুষ্ট- আকৃষ্ট করে নেবে। তাদের সেই কথপকতনের একাংশ সম্মানিত পাঠকবৃন্দের জন্য আমরা এখানে তুলে ধরছি।

ওয়াহাবি মুবাল্লিগঃ তোমরা শিয়ারা কেন সরাসরি খোদার স্বরণাপন্ন না হয়ে বরং অন্নান্যদেরকে মধ্যস্থতাকারী (উসিলা) নির্ধারণ কর ?

সতর্ক শিক্ষার্থীঃ একি আশ্চর্য তোমরা কি কোরান পড়না ?! ইউসুফ নবীর ভাইরা নিজেদের গুনাহ্ (অপরাধ) বোঝার পর কেনইবা পিতার কাছে এসে বল্লেনঃ

يَاأَبَانَااسْتَغْفِرْلَنَاذُنُوبَنَاإِنَّاكُنَّاخَاطِئِينَ.

হে আমাদের আব্বা ! (খোদার কাছে) আমাদের অপরাধের জন্যে আমাদের তরফ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিঃসন্দেহ আমরা হচ্ছি দোষী। (৩)

এবং হযরত ইয়াকুব নবীও (আঃ) তাদের উত্তরে বল্লেনঃ

سَوْفَأَسْتَغْفِرُلَكُمْرَبِّيَإِنَّهُهُوَالْغَفُورُالرَّحِيم.

আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য আমার প্রভুর কাছে মার্জনা চাইব। নিঃসন্দেহ তিনি নিজেই পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা। (৪)

অবশ্য হাদিসে এ রকমও পাওয়া যায় যে, হযরত ইয়াকুব নবী (আঃ) বৃহষ্পতিবার রাতের অপেক্ষায় ছিলেন যাতে সেই রাতে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। (৫)

যখন খোদা ও তার মনোনীত নবী হযরত ইয়াকুব (আঃ) ইউসুফ নবীর (আঃ) ভাইদের কাজকে অনুমোদন দিচ্ছেন, তোমরা কি খোদা ও তার নবী থেকে উর্ধে যে, মধ্যস্থতাকারীর স্বরণাপন্নকে (তাওয়াস্সুল) শিরক মনে কর ?!

ওয়াহাবি মুবাল্লিগঃ আস্তাগ্ফিরুল্লাহ্ ! আস্তাগ্ফিরুল্লাহ্ ! কিন্তু তোমরা শিয়ারা দরজা, দেয়াল ও কবরকেও উসিলা কর আর এটা হচ্ছে শিরক !

সতর্ক শিক্ষার্থীঃ একি আশ্চর্য তোমরা কি কোরানকে বিশ্বাস কর না ?!

ওয়াহাবি মুবাল্লিগঃ আমরা কোরানকে বিশ্বাস করবনা কেন ?অবশ্যই বিশ্বাস করি।

সতর্ক শিক্ষার্থীঃ

اذْهَبُواْبِقَمِيصِيهَذَافَأَلْقُوهُعَلَىوَجْهِأَبِييَأْتِبَصِيرًاوَأْتُونِيبِأَهْلِكُمْأَجْمَعِينَ.

فَلَمَّاأَنجَاءالْبَشِيرُأَلْقَاهُعَلَىوَجْهِهِفَارْتَدَّبَصِيرًاقَالَأَلَمْأَقُللَّكُمْإِنِّيأَعْلَمُمِنَاللّهِمَالاَتَعْلَمُونَ.

তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও এবং এটি আমার পিতার মুখমন্ডলের উপর রেখে দিও, এতে তাঁর দৃষ্টি শক্তি ফিরে আসবে। আর তোমার পরিবার-পরিজনদের সকলকে আমার কাছে নিয়ে এস। (৬)

অতঃপর যখন সুসংবাদবাহক এল, সে জামাটি তাঁর মুখে রাখল। অমনি তিনি দৃষ্টি শক্তি ফিরে পেলেন। বল্লেনঃ আমি কি তোমাদের বলিনি যে, আমি আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে যা জানি তোমরা তা জান না। (৭)

তাহলে তোমরা সেই জামার ব্যাপারে কি বলবে যেটাকে হযরত ইয়াকুব নবী (আঃ) উসিলা বানালেন ও আরোগ্য লাভ করলেন ?

ওয়াহাবি মুবাল্লিগঃ আস্তাগ্ফিরুল্লাহ্ ! আস্তাগ্ফিরুল্লাহ্ !

সতর্ক শিক্ষার্থীঃ তোমরা যখন উত্তর দিতে অক্ষম হও, তখন তাড়াতাড়ি আস্তাগ্ফিরুল্লাহ্ পড় কেন ?

ওয়াহাবি মুবাল্লিগ তখন হতবুদ্ধি, দিশেহারা ও অসহায়ের মত; সম্ভবত নিজের বাতিল ও গোপন আকিদাতে সন্দেহ করে জনসমষ্টি থেকে দুরে চলে গেল। (৮)

এরকম আরও অনেক ঘটনা অহরহ সেখানে ঘটে থাকে; যার অনেকটা, বিভিন্ন বই-পুস্তকেও দেখা যায়। যেমনঃ আয়াতুল্লাহ্ সৈয়দ আলী বাত্হায়ি তার বই মুনাযেরাত ফিল হারামাইন আশ্ শারিফাইন এ উল্লেখ করেন কোন এক কাজের উদ্দেশ্যে মদিনাতে আম্‌র বে মারুফ সমাবেশ কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। সেকানকার বোর্ড প্রধান আমাকে আলেম লেবাসে দেখে জিজ্ঞেস করলঃ

বোর্ড প্রধানঃ কেন তোমরা শীয়ারা নবী করিমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কবরের পাশ্বে যিয়ারতের নামায পড় ? যদিও আমরা সবাই একমত যে, খোদা ব্যতিত অন্য কারও উদ্দেশ্যে নামায পড়া শির্‌ক।

আয়াতুল্লাহ্ বাত্হায়িঃ আমরা নবী করিম(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) বা আমাদের ইমামদের উদ্দেশ্যে নামায পরিনা। বরং আমরা খোদার উদ্দেশ্যে নামায পড়ি এবং তার সওয়াবকে নবী করিমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) রূহ্‌কে হাদীয়া ও উৎসর্গ করি।

বোর্ড প্রধানঃ কবরের পাশ্বে নামায পড়া হচ্ছে শির্‌ক।

আয়াতুল্লাহ্ বাত্হায়িঃ যদি কবরের পাশ্বে নামায পড়া শির্‌ক হয়ে থাকে, তাহলে বলতে হয় কাবা শরীফের পাশ্বেও নামায পড়া শির্‌ক হবে। কেননা শীয়া ও সুন্নী রেওয়ায়েত অনুযায়ী হিজরে ইসমাঈল(৯) এলাকাতে বিবি হাজার,(১০) হযরত ইসমাঈল (আঃ) ও আরও কিছু পয়গম্বরের কবর রয়েছে। কিন্তু আপনাদের চার মাযহাবের (হানাফি, মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বালি) কোন একজন আলেমও বলেননি যে, এই কবরগুলোর পাশ্বে নামায পড়া শির্‌ক।

বোর্ড প্রধানঃ নবী করিম(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কবরের পাশ্বে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন।

আয়াতুল্লাহ্ বাত্হায়িঃ এই কথা, নবী করিমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) উপর মিথ্যা অপবাদ, যদি রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) সত্যিই কবরের পাশ্বে নামায পড়তে নিষেধ করে থাকেন, তবে কেন প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য হাজী ও যিয়ারত কারীরা আঁ হযরতের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কথার বিরোধিতা করছে আর মসজিদে নববীতে হযরত ওমর ও আবু বকরের কবরের পাশ্বে নামায আদায় করছে? তাছাড়া আপনাদের হাদীসের বইগুলোতে খোদার রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) ও তার সাহাবায়ে কেরামদের কবরের পাশ্বে নামায পড়াকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সহীহ্ বুখারীর হাদীস মতে খোদার রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর ঈদের দিন বাক্বি কবরস্থানে, দুরাকাত নামায আদায় করে বললেনঃ আজকের এই দিনে প্রথম ইবাদত হচ্ছে, নামায আদায় করব, তারপর ফিরে গিয়ে কোরবানী করব, যে ব্যক্তি এরূপ করে আমার সুন্নতে সম্মতি দিয়েছে। (১১)

এ রেওয়ায়েত, সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে যে, খোদার রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) কবরের পাশ্বে নামায পড়তেন এবং তাকে জায়েজ মনে করতেন কিন্তু আপনারা, যে নিজেকে আঁ হযরতের সুন্নতের অনুসারী মনে করেন এই কাজ থেকে নিষেধ করেন !!!

আম্‌র বে মারুফ সমাবেশ কেন্দ্রের প্রধান, কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে এ সম্বন্ধে আর মুখ খোলেনি। (১২)

আল্লাহ্ সবাইকে হজ্ব করার তৌফিক দান করুক। যারা হজ্বের সময়ে মক্কা যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন; তারা অবশ্যই উপলদ্ধি করেছেন যে, সম্মানিত হাজীদের সাথে এরকম ঘটনা একটা দুটা নয় বরং প্রতিনিয়ত হচ্ছেই। আর যারা এখনও হজ্বের জন্য মক্কা যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেননি ইন্শাল্লাহ্ যাবেন, সেখানে এ রকম অনেক প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হবে তার জন্য মানষিক ভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। সর্ব শেষে এই দোওয়া করব যে, মুমিন ভাইরা হজ্বে হোক কিন্বা যে কোন ওয়াহাবি ও ওয়াহাবি চিন্তার কোন ব্যক্তির সম্মুখিন হলে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে সক্ষম হবেন; আল্লাহ যেন সবাইকে এই তৌফিক দান করুন। আমিন।

সূত্রসমূহ:

১। আব্বাস কুম্মি, মাফাতিহুল জিনান, ৬ষ্ঠ অধ্যায়।

২। আব্দুল হোসাইন নেশাপুরি, তাকউয়িমে শিয়া

৩। সুরা ইউসুফ, আয়াতঃ ৯৭।

৪। সুরা ইউসুফ, আয়াতঃ ৯৮।

৫। দোয়া কবুল হওয়ার শর্তের মধ্যে বৃহষ্পতিবার রাতের গুরুত্ত হচ্ছে অনেক।

৬। সুরা ইউসুফ, আয়াতঃ ৯৩।

৭। সুরা ইউসুফ, আয়াতঃ ৯৬।

৮। মাসিক ফজিলত, মাআরেফ ও আহলেবাইতের (আঃ) খবর পত্রিকা ইমাম শেনাসী, ৪র্থ সংখ্যা, যিল্ ক্বাদা মাস ১৪২৯ হিজরি, আবান মাস ১৩৮৭ ফারসি, পৃষ্ঠাঃ ২।

৯। কাবা শরীফের একপাশ্বে চন্দ্রের মত ঘেড়া দেয়ালের মত উঁচু স্থান, যেখানে দাড়িয়ে হযরত ইব্রাহীম ও ইসমাঈল (আঃ) কাবাঘর নির্মাণ করেছিলেন। হজ্বের সময় সে স্থানে কমপক্ষে দুরাকাত নামাজ পড়া সুন্নত।

১০। হযরত ইব্রাহীম নবীর (সাঃ) স্ত্রী।

১১। ইন্টারনেট সুত্র; সৈয়দ আলী বাত্হায়ি, মুনাযেরাত ফিল হারামাইন আশ্শারিফাইন, ৫ম মুনাযেরা।

১২। ইন্টারনেট সুত্র; সৈয়দ আলী বাত্হায়ি, মুনাযেরাত ফিল হারামাইন আশ্শারিফাইন, ৫ম মুনাযেরা।

মূল: আঞ্জুম বেগম।

Source: http://www.hussainidalan.com