দুই হাত বেঁধে নামাজ আদায় হারাম —

দুই হাত কোমরে বেঁধে নামায আদায় করা প্রসঙ্গে কয়েকটি হাদিস —

প্রতিটি হাদিস সুন্নি ভাইদের সহীহ সিত্তাহ হাদিস গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত ।

হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত –
মহানবী (সাঃ) নামাযে কোমরে হাত রাখা পছন্দ করতেন না এবং বলতেন ইয়াহুদীরাই এরুপ করে ।
সুত্র – সহীহ আল বুখারী খন্ড – ৩,পৃ – ৪০১ হাদিস নং – ৩২০০, আধুনিক প্রকাশনী ।

অনুচ্ছেদ –
নামাযের মধ্যে কোমরের ওপর হাত রাখা ।
আবুন নোমান মোহাম্মাদ , আইয়ুব ও মুহাম্মদের মাধ্যমে আবু হুরাইরা থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে ,
আবু হুরাইরা বলেছেন , নামাযের মধ্যে কোমরে হাত রাখতে নিষেধ করা হয়েছে । হিশাম ও আবু হেলাল ইবনে শিরীনও আবু হুরাইরার মাধ্যমে নবী (সাঃ) থেকে এটি
( এ হুকুম ) বর্ণনা করেছেন ।

১১৪০, আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণীত ।
তিনি বলেন , নবী (সাঃ) কাউকে কোমরে হাত রেখে নামায পড়তে নিষেধ করেছেন ।
সুত্র – সহীহ আল বুখারী , ১ম খন্ড , কিতাবুত তাহাজ্জুত , পৃ – ৪৯৭ । আধুনিক প্রকাশনী ।

৯১৮ । হযরত আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন –
রাসুল (সাঃ) নিষেধ করিয়াছেন যে , নামাজের মধ্যে কোমরে হাত রাখিয়া দাঁড়াইতে । ইহাতে নামাজ মকরুহ হইবে ।

৯১৯। হজরত আয়েশা বলেন –
একবার আমি রাসুল (সাঃ) কে নামাজের মধ্যে আড় দৃষ্টিতে দেখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলাম ।
তিনি উত্তর করিলেন , ইহা হইতেছে শয়তানের ছোঁ মারা , শয়তান ছোঁ মারিয়া বান্দার নামাজের কিছু অংশ ( অর্থাৎ, পুর্নত্ব ) লইয়া যায় ।
ব্যাখ্যা – আড় দৃষ্টিতে দেখা নামাজের পক্ষে বড় ক্ষতিকর নহে । তবে উচিতও নহে । ঘাড় ফিরাইয়া দেখাতে নামাজ মকরুহ হয় । বক্ষ ফিরাইলে নামাজ একেবারে ফাছেদ হইয়া যায় ।
সুত্র – মেশকাত শরীফ , তৃতীয় জিলদ, পৃঃ-১৮, হাদিস নং-৯১৮,৯১৯ । এমদাদীয়া লাইব্রেরী ।

SKL