আহলে যিকর ” (যারা জ্ঞাত) — এঁরা কারা —

” আহলে যিকর ” (যারা জ্ঞাত) — এঁরা কারা ?

জানুন কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা –

সুরা আম্বিয়া ,আয়াত – ৭ –

“ — যদি তোমরা না জান ,তবে আহলে যিকরকে (জ্ঞাতদের) জিজ্ঞেস কর — ”।

সঠিক তাফসীর –

‘ আহলে যিকর ’(যারা জ্ঞাত) বলতে দ্বারা কাদের উদ্দিষ্ট করা হয়েছে সে ব্যাপারে আহলে সুন্নাতের আলেমগনের মধ্যে মতভেদ আছে ।
কেউ বলেন আহলে কিতাবের আলেমদের , কেউ বলেন কোরআন বিশেষজ্ঞদের এবং কেউ প্রতি যুগের ধর্মীয় আলেমদের কথা বলেছেন ।

কিন্ত প্রচলিত এসব মতবাদের একটিও সঠিক নয় ।
কেননা , যদি আহলে কিতাবদের আলেমগন বা যুগের আলেমগন উদ্দিষ্ট হন , তবে তাঁদের দ্বারা কিভাবে হেদায়েত হবে ?
তারা তো নিজেদের ধর্মেই একমত হতে পারেন না । কেননা , যদি হেদায়েতের ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট হতেন , তবে অসংখ্য আলেম বিদ্যমান থাকা সত্বেও এত মতভেদ কেন হবে ?
এক আলেম অারেক আলেমকে কাফির ফতোয়া দেন ।

আল্লাহ এক , রাসুল এক , কোরআন এক তাহলে ধর্মে কেন এত মাযহাব , কেন এত দলাদলি !

তেমনি কোরআন অবিকৃত থাকা সত্বেও মুসলমানরা বিশেষ এই সকল সম্মাানীয় আলেমগন ও ইমামগন কোরআনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে চরম মতভেদে লিপ্ত ।

সুতরাং , উল্লেখিত বিষয় গুলোর কোনটি আয়াতের উদ্দেশ্য নয় , বরং এই আয়াতে উল্লেখিত আহলে যিকর বলতে মাসুম ইমাম (আঃ) গণকেই বুঝান হয়েছে ।
কেননা আল্লাহ কতৃক নির্বাচিত এই ইমাম (আঃ) গনের মধ্যে কোন অমিল নেই ।
প্রথম জন যা বলেছেন পরবর্তীগনও সেই একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন ।

কারন , কোরআনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একমাত্র তাঁরাই হলেন সঠিক । কারন একমাত্র তাঁরাই হলেন মহান আল্লাহ কতৃক শিক্ষপ্রাপ্ত , মনোনীত ও নির্বাচিত ।
আর এটাই হল সাকালাইনের হাদিসসহ আলোচ্য আয়াতের শানে নুযুলে বর্নিত কোন কোন হাদিসের বিষয়বস্তু ।

যেমন হযরত আলী (আঃ) বলেছেন ,
’ আমরাই রাসুল (সাঃ) এর আহলে বাইত তথা আহলে যিকর ’।

SKL