সকল মহিমা আল্লাহর। তুমি কত সুন্দরভাবে নীতি বাক্য আওড়ে, স্ব-উদ্ভাবিত আবেগ ও দুঃখজনক বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছো। অথচ প্রকৃত বিষয় চাপা দিয়ে আল্লাহর পছন্দনীয় জোরালো কারণ পরিত্যাগ করেছে এবং তার পরিবর্তে মানুষের জন্য নানা প্রকার ওজর দাঁড় করিয়েছে। উসমানের হত্যার ব্যাপারে তুমি যে সকল প্রশ্ন দীর্ঘায়িত করছো। সে বিষয়ে প্রকৃত অবস্থা হলো তুমি শুধু তোমার নিজের সুবিধার জন্যই উসমানকে সাহায্য করেছো”। কিন্তু যখন প্রকৃত অর্থে উসমানের সাহায্যের প্রয়োজন হয়েছিলো তখন তুমি তাকে পরিত্যাগ করেছো। বিষয়টি এখানে শেষ করলাম।
১। একথা অস্বীকার করার কোন জো নেই যে, উসমানের হত্যার পর মুয়াবিয়া তাকে সাহায্য করেছে বলে দাবি করেছিলো। কিন্তু উসমান যখন ঘেরাও হলো এবং পত্রের পর পত্র লেখে মুয়াবিয়ার সাহায্য চেয়েছিল তখন সে এক ইঞ্চিও এগিয়ে আসে নি। শুধুমাত্র লোক দেখানোর জন্য ইয়াজিদ ইবনে আসাদ কাসারীর নেতৃত্বে সে একটা ক্ষুদ্র বাহিনী প্রেরণ করে তাদের বলে দিয়েছিলো তারা যেন মদিনার উপকণ্ঠে জুখুশুব উপত্যকায় অপেক্ষা করে। পরিণামে উসমান নিহত হলো এবং কাসারী তার বাহিনী নিয়ে ফিরে গেল। এতে কোন সন্দেহ নেই যে মুয়াবিয়া উসমানের হত্যা চেয়েছিল যাতে সে উসমানের রক্তের বদলা দাবি করে গোলযোগ সৃষ্টি করে তার খলিফা হবার পথ পরিস্কার কবে নিতে পারে। সে কারণে সে ঘেরাও থাকাবস্থায় উসমানকে সাহায্য করে নি এবং ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর উসমানের হত্যাকারীদের বের করার জন্যও কোন চেষ্টা করে নি।